দিনের শুরুতে খেজুর খাওয়ার বিস্ময়কর উপকারিতা 

ওমায়ের আহসান ।। 

আল্লাহ পাকের অপার দান খেজুর। আল্লাহর নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দিনের শুরুতে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো বিষ বা জাদু তার ক্ষতি করতে পারবে না। (মুসলিম, হাদীস ২০৪৭)

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের সবচে স্বাস্থ্যকর এবং ভীষণ পুষ্টিকর ফল হচ্ছে খেজুর। আপনি যদি মজবুত হাড়, উজ্জল ত্বক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সুবিধা পেতে চান তবে আপনার নিয়মিত খেজুর ব্যবহার করা প্রয়োজন।

খেজুরের স্বাদ মিষ্টি এবং সুস্বাদু। খেজুরে ক্যালোরির পরিমাণও অন্যান্য শুকনো জাতীয় ফল যেমন, কিসমিস এবং ডুমুরের মতো। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, প্রোটিন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন বি-৬ রয়েছে।

এখানে আমরা আপনাকে খেজুর দিয়ে দিনের খাবার শুরু করার উপকারিতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেব।

সকাল সকাল খেজুর খাওয়ার অসাধারণ উপকার:

খেজুর তাৎক্ষণিক শক্তির একটি দুর্দান্ত উৎস। দিনের শুরুটা খেজুর দিয়ে করা সারা দিন সতেজ থাকার চমৎকার উপায়। খেজুর হ’ল একটি ফাইবার পাওয়ার হাউস যা হজম শক্তিকে উন্নত করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাগুলি দূর করতে সহায়তা করে।

সকালে খেজুর খাওয়া আপনাকে ক্লান্তি থেকে মুক্তি দেয়। সকালে খেজুর খেলে আপনার ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং ব্রণর মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

জেনে নিন খেজুরের অন্যান্য স্বাস্থ্য উপকারিতা:

খেজুর আয়রনের একটি সমৃদ্ধ উৎস। শরীরে রক্তশূন্যতা এবং রক্ত​​প্রবাহ রোধ করতে পরিমাণমতো আয়রন প্রয়োজন। সারা দেহে রক্ত ​​এবং অক্সিজেনের একটি ভাল সরবরাহ আপনাকে আরও বেশি প্রাণবন্ত এবং শক্তিশালী বোধ করতে সাহায্য করে।

খেজুর হচ্ছে পটাসিয়াম লাভের দারুণ একটি মাধ্যম। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এটি উপকারী।

খেজুর শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) এর মাত্রা কমিয়ে আনতে পারে। এতে ধমনি এবং হৃদরোগে বাধা হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়।

নিয়মিত খেজুরের ব্যবহার হাড়ের জন্য উপকারী হতে পারে।

ওজন কমানোর ডায়েটেও যুক্ত করা যায় খেজুরকে। যেসব মানুষ সকালে শরীরচর্চা করেন তারা বিশেষত তাদের ব্যয়ামের আগে খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে উপকৃত হতে পারেন।

খেজুর চিনির একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প।

খেজুর মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে বিখ্যাত। এটি নিয়মিত খেলে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি লাভ করে।

-এমএসআই

বিজ্ঞাপন