শীতকালে ধূলাবালি থেকে যেভাবে বাঁচাবেন নিজকে

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: শীতকাল আসতে না আসতে ধূলার নগরীতে পরিণত হয়েছে ঢাকা। ধূলাবালি প্রতিটা মানুষের স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর। ধূলার বড় কণাগুলো তেমন একটা সমস্যা করতে পারে না শরীরে, কিন্তু অতি ক্ষুদ্র কণাগুলো আমাদের ফুসফুসে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করে। এমনকি রক্তের সাথেও মিশে যেতে পারে ক্ষুদ্র কণা গুলো।

ধূলাবালি যে ভাবে ক্ষতি করে

বিজ্ঞাপন

সাধারণত ধূলাবালির মধ্যে দিয়ে আমাদের প্রতিনিয়ত চলতে হয়। তাই ধূলাবালি আমাদের শরীরে যে ক্ষতি করে সেটা আমরা সহজেই বুঝতে পারি না। ধূলার ক্ষুদ্র কণাগুলো আমাদের নাক ও মুখ দিয়ে ফুসফুসে পৌঁছে যায়। শুরু হয় হাঁচি, কাশি, অ্যাজমা, হাঁপানীসহ অ্যালার্জি। ফুসফুসে যে ধূলা কণাগুলো জমা হয়, সেগুলো সহজে প্রবেশ করে কফ জমতে সাহায্য করে।

ধূলাবালির ক্ষতি থেকে মুক্ত থাকতে যা করণীয়-

পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত ধূলাবালি বেড়ে চলেছে। তাই প্রাকৃতিক ধূলাবালি নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কঠিন। তবে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চললে এর থেকে মুক্ত থাকা যায়।

১) বাইরে বের হলে চোখে সানগ্লাস পরতে পারেন। এতে আপনার চোখ ধূলাবালি থেকে মুক্ত থাকবে।

২) মুখে মাস্ক পরুন, এতে আপনার নাকে কোন ধূলা প্রবেশ করতে পারবে না। ফলে অ্যালার্জির সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন। রেহাই পাবেন করোনা থেকেও।

৪) হাত ও হাতের নখের দিকে নজর রাখুন। ধূলাবালি আপনার হতে ও নখে জমা হয়ে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দিবে, এতে আপনার পেটে সমস্যা সৃষ্টি হবে। তাই নিয়মিত হাত পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৫) যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলে ডাষ্টবিনে ময়লা ফেলুন এবং অপরকে উত্‍সাহিত করুন।

৬) নিয়মিত পোষাক পরিষ্কার করুন। পোষাকে ময়লা বা ধূলাবালি লেগে শরীরের স্কিন স্ক্যাবিস রোগ সৃষ্টি হতে পারে। তাই নিয়মিত পোষাক ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে ধুয়ে ব্যবহার করুন।

৭) কল কারখানা বা যানবাহনের কালো ধোঁয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। এই কালো ধোঁয়া কার্বণডাইঅক্সাইডের সাথে মিশে আমাদের ফুসফসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

সর্বশেষ, নিজে মেনে চলুন, অপরকে মেনে চলতে উত্‍সাহিত করুন। গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান।