এবার ফ্রান্সের হঠকারিতার সমর্থনে ব্রিটেন, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ফ্রান্সে হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবমাননায়  গোটা মুসলিম বিশ্ব ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত হলেও পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মাঝে অনুশোচনার পরিবর্তে বাড়ছে হঠকারিতা। এবার ফ্রান্সের পাশে ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বিবৃতি দিয়েছে ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব ডমিনিক রাব। খবর রয়টার্সের।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ফ্রান্স ও ফ্রান্সের নাগরিকদের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে ব্রিটেন। শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটির নির্মম হত্যাকাণ্ডে আমি ব্যথিত। আমি ন্যাটোভুক্ত সব রাষ্ট্রকে ফ্রান্সের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাকস্বাধীনতার প্রতি সমর্থন রেখে ন্যাটো সহ বিশ্বের অন্যান্য আন্তর্জাতিক শক্তি ও সংগঠনগুলোর উচিৎ ফ্রান্সকে এই সঙ্কট থেকে বের করে আনা। আমি সবাইকে সে আহ্বানই জানাচ্ছি।

এদিকে, ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের ফলে কুয়েত, কাতার ও জর্ডনের দোকান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ফরাসি জিনিস। লিবিয়া, সিরিয়া ও গাজা ভূখণ্ডে চলছে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। অনেক আরব দেশেই ফরাসি জিনিস, বিশেষ করে মেকআপ সামগ্রী ও সুগন্ধী আর বিক্রি করা হচ্ছে না।

শপিং মল বা দোকানের তাক খালি করে দেয়া হয়েছে। কুয়েতে পাইকারি জিনিস বিক্রেতাদের একটি প্রধান ইউনিয়ন ফরাসি জিনিস বয়কটের ডাক দিয়েছে। তারপরই দোকান ও মল থেকে ফরাসি জিনিস সরে গেছে।

মত প্রকাশের অধিকারের নামে  হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে প্যারিসের একটি স্কুলের শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি। তাকে হত্যা করে ১৯ বছর বয়সী এক চেচেন। তারপরই ফ্রান্স জুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়।

ম্যাক্রোঁ তখন বলেছিলেন, ‘আমরা কার্টুন ছেড়ে দেব না।’ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। পশ্চিম ইউরোপের সংখ্যালঘু সংগঠনও বলেছে, ম্যাক্রোঁ ইসলামোফোবিয়া বাড়াতে প্ররোচনা দিচ্ছে।