কোরবানির সময় বিভিন্ন প্রশ্ন, ‍যুক্তি ও ভুল প্রচারণার ক্ষেত্রে করণীয়

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ।।

[প্রতি বছরই কোরবানির সময় এলে এক শ্রেণির মানুষ কোরবানির বিধান নিয়ে নানান প্রশ্ন, আপত্তি এবং ভুল প্রচারণা করতে আরম্ভ করে। একজন মুসলমান হিসেবে এক্ষেত্রে সতর্কতা, সঠিক চিন্তা এবং যথাযথ ইলম অর্জন করা আমাদের জন্য জরুরি। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে এমন কিছু প্রসঙ্গে আমাদের করণীয় আলোচনা করেছেন মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা-এর রঈস, মাসিক আলকাউসারের সম্পাদক মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ছাহেব। ইসলাম টাইমসের পাঠকদের কল্যাণে তা তুলে দেওয়া হল।]

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গ: ‍যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কোরবানি না করার যুক্তি

প্রশ্ন :  দেশের বাইরে থেকে একজন চিকিৎসক দাবি করেছেন, দেশের মানুষ এখন ‘যুদ্ধ পরিস্থিতির’ মধ্যে আছেন। তার প্রশ্ন, যুদ্ধের সময় কি ইসলাম কোরবানি কথা বলে?

উত্তর : এ প্রশ্নটি আসলে উত্তর দেওয়ার মতোই নয়। করোনার সাথে যুদ্ধের কথা হয়ত তিনি বলছেন। একটি মহামারির সাথে এসব শব্দ তারা ব্যবহার করেন কীভাবে? যারা এমন শব্দ ব্যবহার করেন, তাদের সৈন্য-সামন্ত কত রয়েছে! তিনি যে দেশে বসবাস করেন,  ওইসব শক্তিধর দেশগুলোই তো ব্যর্থতা স্বীকার করে বসে আছে। আগেও এমন সব শব্দ অনেকে ব্যবহার করেছেন, আশা করি তারা এখন লজ্জিত হয়েছেন।

এটা কি যুদ্ধ, নাকি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আসা একটা মহা পরীক্ষা বা শাস্তি? আমরা তো সেরকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সে পরিস্থিতির মধ্যে দ্বীনী ও দুনিয়াবি দৃষ্টিকোণ থেকে কী কী করণীয়- সেটা হল দেখার বিষয়। মূল কথা হল, এজাতীয় পরিস্থিতিতে কোরবানির ক্ষেত্রে ছাড় নেই। অপরদিকে যেসব ক্ষেত্রে অসামর্থ্যের ব্যাপার আছে, বড় সমস্যা বা প্রতিকূলতা আছে, সেখানে কিন্তু শরীয়তের পক্ষ থেকে কোনো চাপ বা বাধ্য-বাধকতা নেই। যেমন, আপনি ধনাঢ্য ব্যক্তি, কিন্তু আছেন সফরে, সেক্ষেত্রে আপনার ওপর কোরবানির হুকুম পালন করা আবশ্যকীয় নয়। আর্থিক সামর্থ্য থাকার পরও আপনার অসুবিধার দিক শরীয়ত বিবেচনা করে। এজন্যই বলছি, ইসলামী শরীয়তের কোনো বিধান ও ইবাদতের ব্যাপারে এজাতীয় ‘বুদ্ধিজীবীসুলভ’ মন্তব্য ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং আমাদের দায়িত্ব হল, কুরআন ও হাদীস আমাদের যে নির্দেশনা দেয়, সেই নির্দেশনা মেনে চলা।

প্রসঙ্গ: কোরবানি গোশত বন্টনে পরিস্থিতি বিবেচনা

প্রশ্ন : সংকটকালে কোরবানির গোশত বণ্টনে বিশেষ কোনো নিয়ম বা বিধি অনুসরণের বিষয় আছে কি?

উত্তর : হাদীস শরীফে দেখা যায়, একবার তিন দিনের বেশি গোশত সংরক্ষণ করতে নিষেধ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সংরক্ষণ না করার সে হুকুম রহিত করা হয়েছে। কোরবানির গোশতের ক্ষেত্রে এটা হল শরীয়তের সাধারণ নির্দেশনা। কিন্তু সমাজে দারিদ্র্যের মাত্রা বেশি হলে, সংকট বিরাজ করলে আমরা আগের ওই হাদীস, যেখানে তিন দিনের বেশি গোশত সংরক্ষণ করতে নিষেধ করা হয়েছে, সেই হাদীসের মর্মের দিকে লক্ষ্য রেখে বলতে পারি, কোরবানিদাতাদের জন্য উচিত, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের প্রতিবেশী, নিকটস্থ আত্মীয়-স্বজন যারা কোরবানি দিতে পারছেন না, তাদের প্রতি লক্ষ রাখা এবং অধিক পরিমাণে কোরবানি গোশতের হাদিয়া বা তাদের অংশ তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। তবে এক্ষেত্রেও বিষয়টিকে ওয়াজিব না বলে উৎসাহমূলক বলতে হবে।

আরো পড়ুন, কোরবানি ইসলামের অন্যতম শিআর, মহামারির অজুহাতে বিকল্প চিন্তার সুযোগ নেই

প্রসঙ্গ: কোরবানি সঙ্গে দেশীয় অর্থনীতির সম্পর্ক

প্রশ্ন : কোরবানির সাথে দেশের অর্থনীতির সম্পর্ক কতটুকু? কোরবানি আমাদের অর্থনীতিতে কতটা প্রভাব রাখে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর : বলার অপেক্ষা রাখে না, কোরবানির সাথে আমাদের দেশের অর্থনীতির একটি বড় ও বিশাল অংকের সম্পর্ক রয়েছে। যারা কোরবানির ‘বিকল্প’ প্রস্তাব করছেন, তারা এ বিষয়টির দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন বলে মনে হয় না। কোরবানির আগেই পত্র-পত্রিকায় পরিসংখ্যান এসেছে যে, গোটা দেশে খামারীরা যতসংখ্যক গরু এবার পালন করে বাজারে তোলার উপযোগী করেছেন, সে সংখ্যাটা কোরবানির জন্য বিরাজমান চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। এর সঙ্গে লাখ লাখ দরিদ্র খামারীর আয় ও সঞ্চয়ের বিষয় জড়িত।

এবার কোরবানি না করার প্রস্তাব যারা দিয়েছেন, তারা এই লাখ লাখ দরিদ্র খামারী পরিবারগুলির জন্য কি কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন? খামারীদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছেন, যারা ২/৩ টি গরু পুরো পরিবার মিলে লালন পালন করে বড় করেন এই কুরবানীর মৌসুমে বিক্রির জন্য। কোরবানি স্থগিত করে দিলে তাদের কী ব্যবস্থা হবে! এজন্য এটা পরিষ্কার যে, কোরবানির সঙ্গে দেশের অর্থনীতির একটা বিশাল সম্পর্ক বিদ্যমান। এছাড়া চামড়া ও চামড়াশিল্পের সাথে জড়িত লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকার বিষয়টি তো রয়েছেই। দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাক্তার এবিএম আব্দুল্লাহ্ও তার এক নিবন্ধে কোরবানির বিধান পালন এবং এর সাথে দেশের অর্থনীতির সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক কথা বলেছেন। তাকে মোবারকবাদ জানাই। তবে আমরা মনে করি, কোরবানির ক্ষেত্রে আমাদের প্রধান ও মূল বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, খালেকের হুকুমের সামনে বান্দার আত্মসমর্পণের চেতনা এবং শরীয়তের এক শিআর ও নির্দেশনা মান্য করার প্রেরণা। অর্থনীতির প্রসঙ্গটি এই প্রেরণার অনুগামী; এই প্রেরণার সঙ্গে যুক্ত পরবর্তী পর্যায়ের বিষয়।

আরো পড়ুন, ফিকহী মতভেদের প্রসঙ্গ তুলে এই সময়ে কোরবানি থেকে বিরত থাকা যাবে না

প্রসঙ্গ: অন্য ব্যক্তি বা সংস্থার মাধ্যমে কোরবানি করানো

প্রশ্ন : কোরবানি নিজেরা না করে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে করানোর কোনো সুযোগ আছে কি? ওইসব সংস্থা অনেকসময় গোশত গরিবদের মাঝে বিতরণ করে দেয়, অনেকসময় কিছু অংশ কোরবানিদাতাদের কাছেও পৌঁছে দেয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন সংস্থার সাহয্যে কোরবানি করা যাবে কি?

উত্তর : এ পদ্ধতি বিভিন্ন বিত্তবান রাষ্ট্রে চালু আছে। সেখানে ব্যাপকভাবে যার যার বাসায় কোরবানি করার বা পশু যবেহ করার সুযোগ নেই। মুসলমান কসাইদের সহযোগিতায় অথবা বিভিন্ন সংস্থা বা গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেসব দেশের মুসলমানরা কোরবানি করেন। সেখানে যেহেতু নিজের আয়ত্বে স্বাধীনভাবে কুরবানী করার অবকাশ নেই, সেসব দেশে তো এভাবে চলবে।

কিন্তু মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে এজাতীয় ব্যবস্থাপনা থাকলেও সেটার ব্যাপক চর্চা বা অনুশীলন হওয়া উচিত নয়। কিছু সংস্থা থাকুক, যারা নিজেরা পারিবারিক আয়োজনে পারছেন না, নিজেদের ব্যবস্থাপনা নেই, তারা ওই সংস্থার সাহায্যে কোরবানি করবেন। তবে এজাতীয় ব্যবস্থাপনা মুসলিম দেশগুলোতে ব্যাপক হওয়া উচিত নয় বলে মনে করি। কোরবানি শিআরে ইসলাম। এই কোরবানি গোপনে আদায় করে দিলে ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে, কিন্তু শিআরে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে বলে মনে করা যায় না। আল্লাহ তাআলার মেহমানদারি (যিয়াফত) হচ্ছে কুরবানী। এই চিন্তা-চেতনা ধারণ করেই যুগযুগ ধরে মুসলমানরা যেভাবে কুরবানী করে এসেছেন, সেভাবেই কোরবানি করতে হবে। বিশেষ কোনো অপারগতা বা বর্তমান পরিস্থিতির সংকট, ভীতি ইত্যাদি কারণ ছাড়া সংস্থার মাধ্যমে কোরবানি করার পদ্ধতিকে ব্যাপক না করা এবং এ পদ্ধতিটি স্বাভাবিক হিসেবে গ্রহণ না করা চাই। প্রয়োজনে করলে অসুবিধা নেই। আর প্রবাসীরা সংস্থার মাধ্যমেও কোরবানি করতে পারেন, দেশেও টাকা পাঠিয়ে কোরবানি করতে পারেন।

তবে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে কোরবানি করার ক্ষেত্রে সতর্কতার কিছু বিষয় যেন সবার বিবেচনায় থাকে। প্রথমত, সংস্থাটি এবং সংস্থাটির পরিচালকদের সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। তারা ইসলামের বিধি-বিধান সম্পর্কে অবগত কি না? কুরবানীর মাসায়েল সম্পর্কে অবগত কি না? একইসঙ্গে তারা কুরবানীর মর্ম এবং কুরবানীর প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে দ্বীনীভাবে সচেতন কি না। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে, সংস্থার মাধ্যমে অনেক কুরবানী হয় শরিকানার ভিত্তিতে। এক ভাগের টাকা আপনি দিলেন, এমন আরো ছয় ভাগের টাকা ছয়জন দেবেন, যাদের সম্পর্কে আপনি কিছু জানেন না। এখন পরিস্থিতি যদি এমন হয়, ওই একই পশুতে এমন কিছু মানুষের অংশিদারিত্ব থাকে, যাদের কুরবানীর নিয়ত নেই (যেমন, গোশতের জন্য শরীক হওয়া) তাহলে ওই পশুর অন্যান্য অংশিদার কারো কুরবানী কবুল হবে না। সংস্থার মাধ্যমে শরিকানা কুরবানীর ক্ষেত্রে এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এজন্যই আমরা বিশেষ অপারগতা তৈরি না হলে ও দায়ে না ঠেকলে সংস্থার মাধ্যমে কোরবানি না করতেই উৎসাহিত করার পক্ষে।

আরেকটি ব্যাপার হল, কুরবানী ও যাকাত- এ দুটি ইবাদতের ক্ষেত্রে সম্প্রতি এমন কিছু সংস্থাকেও উদ্যোগী হয়ে কাজ করতে দেখা যায়, যাদের কর্মকর্তাদের দ্বীন-ধর্মের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, ইসলামের বিধান ও মেযাজ সম্পর্কে যারা অজ্ঞ, এমনকি তাদের ব্যক্তিগত জীবন অনুশীলনেও ইসলামের উপস্থিতি নেই। এসব সংস্থার মাধ্যমে কুরবানী করানো, যাকাত আদায় করা ঝুঁকিপূর্ণ।

শোনা যায়, এমন কোনো কোনো সংস্থার কর্মকর্তাদের মধ্যে অমুসলিমও রয়েছে। এজাতীয় দ্বীনী কর্মকাণ্ডে মানবিকতার কথা বলে তারা যুক্ত হয়ে থাকে। আমি বলব, ইসলামের সঙ্গে বাস্তবে সম্পর্কহীন এমনসব সংস্থার মাধ্যমে কোনো ইবাদত পালনের ব্যাপারে মুসলমানদের সতর্ক থাকা দরকার। দ্বীন ও আস্থার সম্পর্ক যাদের সঙ্গে রয়েছে দরকার হয়ে গেলে তাদের সেবা নিন। আর কোরবানিসহ বিভিন্ন আর্থিক আমল প্রধানত নিজ উদ্যোগে পালন করার চেষ্টা করুন।

আরো পড়ুন, কুরবানীর পশু সংক্রান্ত জরুরি মাসায়েল

প্রসঙ্গ: কোরবানির সময় বিভিন্ন প্রশ্ন ‍যুক্তি ও ভুল প্রচারণার ক্ষেত্রে করণীয়

প্রশ্ন : কোরবানি সম্পর্কে বিভিন্ন সময় যেসব নতুন নতুন কথা ওঠানো হয়, কুরবানী করার আবশ্যকীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, সীমিত করার কথা বলা হয় এবং নিজ উদ্যোগে না করে সংস্থার মাধ্যমে কুরবানী করার আহ্বান জানানো হয়- এসব পরিস্থিতিতে সাধারণ মুসলমানদের করণীয় কী?

উত্তর : এসব ক্ষেত্রে মুসলমানদের কাজ হল, দ্বীন ও দ্বীনী বিধান সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। যারা যত বেশি দ্বীন ও দ্বীনের মেযাজ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবেন তারা ততই এজাতীয় তর্ক ও বিভ্রান্তিকে অগ্রাহ্য করার সামর্থ্য অর্জন করতে পারবেন। তারা সতর্কও থাকতে পারবেন। একটি বিষয় বোঝা দরকার যে-

.إِنّ هَذَا الْعِلْمَ دِينٌ، فَانْظُرُوا عَمّنْ تَأْخُذُونَ دِينَكُمْ

[এই জ্ঞান হচ্ছে দ্বীন, তাই তোমরা লক্ষ রাখো- এই দ্বীন তোমরা কার কাছ থেকে গ্রহণ করছ। -সহীহ মুসলিম, মুকাদ্দিমা, অধ্যায় : আলইসনাদু মিনাদ্দীন, ইবনে সীরীন রাহ.-এর বক্তব্য]

দ্বীনী বিষয়ে যে ব্যক্তি নতুন কোনো মন্তব্য করছে, দেখতে হবে- এই অধিকার তার আছে কি না? তার যথার্থ জ্ঞান আছে কি না? দেখা যাচ্ছে, এজাতীয় দ্বীনী বিষয়ে টকশোর আলোচনায় একজন আলেমের পাশে বসে সাধারণ শিক্ষিত একজনও মতামত দিচ্ছেন। দ্বীনী বিষয়ে কি এভাবে মতামত দেওয়া যায়? এসব অসঙ্গতি বুঝতে হবে।

ঠিক একইভাবে যারা সুন্নাহর تنوع বা বৈচিত্র্য এবং ফিকহের ভিন্নতার কারণ না বুঝে একটার বিরোধিতা করে, আরেকটা চাপিয়ে দিচ্ছেন- তাদেরও উচিত আদাবুল ইখতিলাফ, আদাবুল ইলম ও দাওয়াহর তরীকা সম্পর্কে সচেতন হওয়া। একটি সমাজে একটি সুন্নাহর প্রচলন রয়েছে, সেখানে আদব লঙ্ঘন করে অপর একটি সুন্নাহ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করার মধ্য দিয়েই বিশৃঙ্খলার পথ তৈরি হচ্ছে। এ ব্যাপারে সাধারণ মুসলমানরা যত সচেতন হবেন, ব্যাপক দ্বীনী পড়াশোনার মাধ্যমে ইসলাম ও শরীয়াহ-এর মর্ম যত বেশি অনুধাবন করবেন বিশৃঙ্খলা তৈরির পথ তত ছোট হয়ে আসবে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বিভ্রান্তি থেকে বেঁচে থেকে দ্বীনের ওপর চলার তাওফীক দান করুন।

আরো পড়ুন, কুরবানি বিষয়ে ৩ টি প্রশ্নোত্তর   

বিজ্ঞাপন