ফিকহী মতভেদের প্রসঙ্গ তুলে এই সময়ে কোরবানি থেকে বিরত থাকা যাবে না

মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ।।

[বর্তমান করোনা মহামারির সময় কেউ কেউ কোরবানি সম্পর্কিত ইসলামি ফিকহের মাসআলাগত মতভেদের প্রসঙ্গ তুলে এবং কোন কোন মাসআলার ভুল ব্যাখ্যা করে কোরবানি থেকে বিরত থাকার অবকাশ খুঁজছেন। এই প্রসঙ্গে মীমাংসামূলক আলোচনা পেশ করেছেন মারকাযুদ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকা-এর রঈস, মাসিক আলকাউসারের সম্পাদক মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ সাহেব। ইসলাম টাইমসের পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হল।]

বিজ্ঞাপন

প্রশ্ন : সংকটময় পরিস্থিতির সুযোগে কেউ কেউ কোরবানি সম্পর্কিত ফিকহী মতবিরোধপূর্ণ কিছু মাসআলার প্রসঙ্গ সামনে নিয়ে  আসছেন। তারা বলছেন, কোনো কোনো মাযহাবের দৃষ্টিতে কোরবানি করা ওয়াজিব নয়, সুন্নত। হানাফী মাযহাবে শুধু ওয়াজিব। এ বিষয়ে কিছু বলবেন কি?

উত্তর : সাধারণভাবে মতবিরোধপূর্ণ ফিকহী বিষয়ের প্রচার করা আমরা সমীচীন মনে করি না। কারণ, একটি দেশে সাধারণত একটি ফিকহের অনুসরণ করা হয়ে থাকে এবং হাদীস অনুসরণের ক্ষেত্রে একটি ফিকহের ব্যাখ্যা অনুসৃত হয়ে থাকে। ইবনে তাইমিয়া রাহ. থেকে নিয়ে সাম্প্রতিককালের আরব আলেম শায়েখ উছাইমীন পর্যন্ত বহু ফকীহ ও মুহাদ্দিস ফিকহী এই ভিন্নতাকে সহনশীলতার সঙ্গে গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। ফিকহের প্রত্যেক ইমামই গ্রহণীয় ও বরণীয়। ফিকহী মাযহাবগুলো মূলত সুন্নাহ-এর تنوع তথা বিভিন্নতাকেই প্রকাশ করে।

একটি দেশে একটি ফিকহ চালু থাকা অবস্থায় আরেকটি ফিকহ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টাটা শোভনীয় নয়। যে দেশে মালেকী বা শাফেয়ী ফিকহ অনুযায়ী মানুষ যুগ যুগ  থেকে আমল করে আসছে সেখানে কোনো হানাফী আলেম গিয়ে নিজ মাযহাব চালু করার চেষ্টা করা বা তাদের আমলের বিপরীত অন্য সুন্নাহ্র প্রচার শুরু করা কিছুতেই যৌক্তিক হতে পারে না। সব ফিকহ-ই শাখাগত বিষয়ে কিছু ভিন্নতাসহ ইসলামের গোড়া পর্যন্ত মানুষকে নিয়ে যায় এবং এর সবই ইসলামের সঠিক পথ। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে কোনো কোনো আরব দেশের পৃষ্ঠপোষকতা ও কারো কারো মতে ‘পেট্রোডলারের’ প্রভাবে বিভিন্ন মুসলিম দেশে প্রচলিত ফিকহের বিরুদ্ধাচরণে একদল লোক মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করতে চেষ্টা করছেন। এতে শরীয়াহ অনুসরণে নানারকম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সম্প্রতি তাদের জোর কিছু কমলেও একদম বন্ধ হয়ে যায়নি। তারাই কুরবানী ওয়াজিব, নাকি সুন্নতÑ এজাতীয় বিতর্ক সামনে নিয়ে আসতে চাচ্ছেন।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার যে, ওয়াজিব এবং সুন্নতের স্তর নির্ধারণ নিয়েও বিভিন্ন মাযহাবে ভিন্নতা আছে। কোনো কোনো মাযহাবে ফরযের পর ওয়াজিবের স্তরই নেই, পরের স্তরটি হচ্ছে সুন্নত। কোনো কোনো মাযহাবে (হানাফী মাযহাব) ফরযের পর ওয়াজিবের স্তর তারপর সুন্নতের স্তর। কিন্তু যেসব মাযহাবে ওয়াজিবের স্তরটি নেই তারাও গুরুত্বপূর্ণ সুন্নতগুলোর ক্ষেত্রে আমল করেন ওয়াজিবের মতই। এর একটি উদাহরণ হল, বিতিরের নামায। এই বিতিরের নামায হানাফী মাযহাবে ওয়াজিব। কিন্তু যেসব মাযহাবে সুন্নত, তাদের ক্ষেত্রেও এটা সাধারণ সুন্নত নয়, বিতির ছুটে গেলে তাদের ফিকহ অনুযায়ীও কাযা করতে হয়। অথচ সাধারণ সুন্নত ছুটে গেলে কাযা করতে হয় না। তার অর্থ হল, বিতিরের নামায তাদের কাছে সুন্নত হলেও সাধারণ সুন্নত নয়। গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। আর সফর অবস্থায় সুন্নত না পড়লেও চলে, কিন্তু বিতিরের নামাযকে যারা সুন্নত বলেন, তারাও বলেন, সফর অবস্থায় বিতিরের নামায ছাড়া যাবে না।

দেখুন, শিরোনাম বা পরিভাষা দুটি হলেও আমলের ক্ষেত্রে কাছাকাছি। যারা ওয়াজিব বলছেন এবং যারা সুন্নত বলছেন, আমলের ক্ষেত্রে উভয়েই প্রায় একই রকম গুরুত্ব দিচ্ছেন। এজন্য এসব বিষয়ে ফিকহী মতবিরোধ নিয়ে কথা বলতে গেলে ফিকহ-ফুকাহায়ে কেরামের নীতি ও কর্মপন্থা, উসূল ও জওয়াবিত সম্পর্কে আরা ভালোভাবে পড়াশোনা করে নেওয়া দরকার। শুধু শিরোনামের ভিন্নতা দেখেই স্তর ও আমলের ভিন্নতা নিয়ে কথা বলতে থাকা এবং কোনো একটি বিষয় প্রমাণ করার চেষ্টায় লিপ্ত হওয়া সমীচীন নয়।

কোরবানি করার বিষয়টিকে কোনো কোনো ফিকহে সুন্নতে মুআক্কাদা বলা হয়েছে। কোনো কোনো ফিকহে (ফিকহে হানাফী) ওয়াজিব বলা হয়েছে। কিন্তু আমলের ক্ষেত্রে যারা সুন্নত বলেছেন, তারাও গুরুত্বের ক্ষেত্রে অনেক জোর আরোপ করেছেন। কোরবানির গুরুত্ব এবং মাসাইলের প্রতিটি ধাপ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনাও করেছেন। আর যদি দলীল দেখেন তাহলে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হবে আপনার কাছে। হাদীসে স্পষ্ট বলা হয়েছে-

.مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ، وَلَمْ يُضَحِّ، فَلَا يَقْربَنّ مُصَلّانَا

সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে। -সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ৩১২৩; সুনানে দারাকুতনী, হাদীস ৪৭৪৩ [হাদীসটি ‘মারফু’ ও ‘মাউকুফ’ উভয়ভাবে বর্ণিত হয়েছে। প্রখ্যাত হাদীসবিশারদ মাওলানা যফর আহমাদ উসমানী রাহ.-সহ বহু মুহাদ্দিস উভয় বর্ণনাকেই ‘সহীহ’ বলেছেন। আর হাদীসের শব্দ ও মর্ম  দেখেও তা ‘মারফু’ বলেই মত প্রকাশ করেছেন। (দ্র. ইলাউস সুনান, খ. ১৭, পৃ. ২১২-২২৫]

হাদীসের ভাষায় কোরবানি না করার ক্ষেত্রে স্পষ্ট ধমকি ও সতর্কবাণী সে ক্ষেত্রেই দেওয়া হয়, যদি আমলটি আবশ্যকীয় হয়। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় কোরবানি শুরু করার পর একবারও বাদ দেননি। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. বলেন,

.أَقَامَ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ بِالمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ يُضَحِّي كُلّ سَنَةٍ

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার দশ বছরের প্রতি বছরই কোরবানি করেছেন। -জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫০৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৪৯৫

ফিকহের পরিভাষায় নবীজীর এমন নিয়মিত করা আমল সম্পর্কে বলা হয়-

مواظبة النبي صلى الله عليه وسلم

(রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিয়মিত আমল) এই নিয়মিত আমল- এটাও আমলটি ওয়াজিব হওয়ার বা আবশ্যকীয় হওয়ার আলামত। সুনানে তিরমিযীসহ হাদীসের বিভিন্ন কিতাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদীস রয়েছে কোরবানি সম্পর্কিত। এক ব্যক্তি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা.-কে জিজ্ঞাসা করলেন-

أَوَاجِبَةٌ هِيَ؟ فَقَالَ: ضَحّى رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ وَالمُسْلِمُونَ، فَأَعَادَهَا عَلَيْهِ، فَقَالَ: أَتَعْقِلُ؟ ضَحّى رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ وَالمُسْلِمُونَ

 কোরবানি কি আবশ্যকীয় আমল? তিনি উত্তর দিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং মুসলমানরা কুরবানী করেছেন। লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলে তিনি এবার বললেন, তুমি কি কিছু অনুধাবন করতে পারছ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং মুসলমানরা কোরবানি করেছেন। -জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫০৬

আরো পড়ুন, কুরবানীর পশু সংক্রান্ত জরুরি মাসায়েল

এখানে দেখা যাচ্ছে, প্রশ্নকারী যে ভাষায় প্রশ্ন করেছেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. অন্য ভাষায় তার উত্তর দিলেন। তিনি নবীজী এবং মুসলমানদের আমলের কথা বললেন। প্রশ্নকারী তখন প্রশ্নটি দ্বিতীয় বার করলেন। তখন ইবনে উমর রা. রাগত ভাষায় বললেন-

أَتَعْقِلُ؟

তুমি কি কিছু অনুধাবন করতে পারছ? তিনি আবার আগের উত্তর দিলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং মুসলমানরা কোরবানি করে এসেছেন। এখানে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। (ওয়াজিব বা সুন্নত- নাম যাই হোক) কোরবানি মুসলমানদের মাঝে সুন্নতে মুতাওয়ারাছা (নিয়মিত হয়ে আসা আমল) এটা দ্বীনের একটি শিআর। সেজন্যই এই আমলের ক্ষেত্রে এ প্রশ্ন  অবান্তর যে, এটি ওয়াজিব, নাকি ওয়াজিব নয়- তোমার করণীয় তুমি পালন কর। আমরাও সেকথাই বলি।

ওয়াজিব-সুন্নত নাম যা-ই দেন, কোরবানি থেকে বিরত থাকার সুযোগ নেই। ফুকাহায়ে কেরাম পরিভাষা কী ব্যবহার করেছেন, তার চেয়ে বড় ব্যাপার হল মুসলমানদের আমল এবং আমলের توارث বা পরম্পরা দেখা। মাযহাবী পরিভাষার বিতর্কে না গিয়ে আমরা কোরবানির ক্ষেত্রে সব যুগে মুসলমানদের আমল দেখলে বুঝতে পারব যে, কোরবানি আবশ্যকীয় একটি আমল এবং ইসলামী শরীয়তের একটি শিআর।

আরো পড়ুন: কোরবানি ইসলামের অন্যতম শিআর, মহামারির অজুহাতে বিকল্প চিন্তার সুযোগ নেই

দেশ-বিদেশে কোরবানি নিয়ে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না: আল্লামা বাবুনগরী

প্রশ্ন : ফিকহী আরেকটি প্রশ্নও কেউ কেউ উঠিয়ে থাকেন যে, কোরবানি কি এক পরিবার থেকে একটি, নাকি এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে একটি? এক পরিবার থেকে একটি কোরবানির কথা বলে তারা হাদীসের একটি ভাষ্যকেও উদ্ধৃত করে থাকেন। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?

উত্তর : কোরবানি নিয়ে মৌলিক বিষয়ে আমরা এখানে কথা বলছি। ফিকহী বিতর্কে না যাওয়ারই ইচ্ছা ছিল আমার। প্রশ্ন সামনে চলে আসায় বলতে হচ্ছে যে, যারা এক পরিবারের পক্ষ থেকে এক কোরবানির কথা বলেন, তারা কোরবানির সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি বাক্য উদ্ধৃত করে থাকেন যে, একটি কোরবানি দিয়ে রাসূল বলেছেন যে-

مِنْ مُحَمّدٍ وَآلِ مُحَمّدٍ

 (এটি মুহাম্মাদের পক্ষ থেকে এবং মুহাম্মাদের পরিবারের পক্ষ থেকে।)

আসলে এই হাদীসের মধ্যেই এধরনের বক্তব্যের জবাব রয়েছে। কোনো কোনো রেওয়ায়েতে রয়েছে-

هَذَا عَنِّي وَعَمّنْ لَمْ يُضَحِّ مِنْ أُمّتِي

এটি আমার এবং আমার উম্মতের যারা কোরবানি করেনি, তাদের পক্ষে থেকে। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৮১০; জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫২১

পরিবার ও ব্যক্তির বিষয়টি আমাদের দেশের পরিবারগুলোর চিত্র থেকেও বোঝা যায়। সাধারণত একটি পরিবারে প্রধান যিনি উপার্জনক্ষম থাকেন, তিনি থাকেন একজন। অন্যদের ওপর সাধারণত কোরবানি ওয়াজিব হয় না। যেসব মাযহাবে ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তারা হয়ত এ চিত্রটির কথাই বলেন। আর হাদীসের শব্দ-

مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ

 এখানে ‘মান’ শব্দের অর্থ ব্যক্তি, পরিবার নয়। একইসঙ্গে وَلَمْ يُضَحِّ শব্দের মধ্যেও একক ব্যক্তির দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। সুতরাং দলীলের বিবেচনায় এটা বোঝা যায়, সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব। এক পরিবারে একাধিকজন সামর্থ্যবান হলে সবার ওপরই কোরবানি ওয়াজিব।

এখানে উল্লেখ্য, বিভিন্ন সহীহ হাদীসে একটি গরু ও উট সাতজনের পক্ষ থেকে কোরবানি করার যে বর্ণনাগুলো এসেছে, তাও  কোরবানি পরিবারকেন্দ্রিক ওয়াজিব না হয়ে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ওয়াজিব হওয়ার প্রমাণ বহন করে। দ্বীনী প্রায় প্রত্যেক আমলই ব্যক্তির উপর স্বতন্ত্রভাবে পালনীয়।

আর কোনো কোনো সাহাবী কর্তৃক কোরবানি না করার যে কথা পাওয়া যায়, তার বিভিন্ন ব্যাখ্যাই হতে পারে। ঐ বছর তাদের সামর্থ্য থাকা-না থাকার বিষয়টিও বিবেচ্য। কিন্তু সহীহ হাদীসগুলো এবং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক প্রতি বছর কোরবানি করার বিষয়টি চিন্তা করলেই কুরবানীর গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

যাহোক, আমরা মাযহাবকেন্দ্রিক বিতর্কে এখানে যেতে চাইনি, কিন্তু কেউ হাদীস থেকে এবিষয়ের দলীলগুলো সবিস্তারে পড়লে তা অনুধাবন করতে পারেন। এখানে এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার সুযোগ নেই। এখানে কোরবানি করা-না করার যুক্তির প্রেক্ষাপটে মৌলিক কিছু আলোচনা তুলে ধরাই উদ্দেশ্য। এ বিষয়গুলোতে দীর্ঘ আলোচনার জন্য উপযোগী হল বিষয়ভিত্তিক ফিকহী আলোচনা ও দরস। আর الفقه المدلل তথা দলীলভিত্তিক  ফিকহের কিতাবগুলোতে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আগে থেকেই আছে।

আরো পড়ুন, কুরবানীর বিষয়ক কিছু ভুল

কুরবানি: কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে

 

বিজ্ঞাপন