ইসলাম টাইমস ডেস্ক: করোনার জাল সনদদাতা রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ শুধু স্বাস্থ্য খাতেই লুটপাটের ফাঁদ পাতেননি, সরকারের আরো কয়েকটি দপ্তরেও ছিল তার প্রভাব-প্রতিপত্তি।
রিজেন্ট গ্রুপের ওয়েবসাইটে দেখা গেছে, সাহেদ আত্রাই নদ ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ করেছেন। কক্সবাজারের শাহপরীর দ্বীপ ও কক্সবাজারে সাইক্লোন শেল্টার এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের কাজেও তিনি যুক্ত রয়েছেন।
আরো পড়ুন: ৩০ দিনের জন্য অবরুদ্ধ রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের ব্যাংক হিসাব
জানা যায়, প্রভাব খাটিয়ে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসীতেও প্রতারণা করেছেন সাহেদ। গোবিন্দাসী এলাকার মাটি খনন ব্যবসায়ী অমলেশ ঘোষের সঙ্গে গত বছরের শুরুর দিকে চুক্তি করে রিজেন্ট গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ‘রিজেন্ট কেসিএ’। নাটোর এলাকায় নদী খননের জন্য এই চুক্তি হয়। ২১ লাখ টাকা বকেয়া পড়ে রিজেন্টের কাছে। টাকা চাইতে গেলে তাকে হত্যার হুমকি দেন সাহেদ।
অমলেশ ঘোষ গণমাধ্যমকে জানান, হিসাবের বিপরীতে টাকা জমা থাকলেও ব্যাংকে চেক নিয়ে গেলে সাহেদের অনুমতি ছাড়া মিলত না টাকা। প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় সাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকার উত্তরা থানায় জিডি করেন তিনি। পরে সাহেদের হয়ে পুলিশই জিডি তুলে নিতে তাকে চাপ দেন।
আরো পড়ুন: করোনার জাল সার্টিফিকেট দাতা সাহেদের বাবার মৃত্যু হলো করোনায়
এ বিষয়ে উত্তরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিকাশ পালের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।
















