একটি চিন্তাগত দুর্বলতা: রমযানুল মুবারকের সমাপ্তিতে আনন্দিত হওয়ার কারণ

‘নীল মসজিদ’- এর অফিসিয়াল নাম ‘সুলতান আহমেদ মসজিদ’, তুরস্ক- ছবি: সংগৃহীত

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: রমযানুল মুবারক সমাপ্ত হলে এজন্য আনন্দিত হওয়া যায় যে, আল্লাহ তাআলা এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ মাস দান করেছিলেন, যা ছিল খায়র ও বরকতে পরিপূর্ণ। এ মাসের দিবসে সওম পালন এবং রজনীতে তারাবী ও তাহাজ্জুদের তাওফীকও আল্লাহ তাআলা দান করেছিলেন। এজন্য রমযানের শেষে মুমিনের অন্তর আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাতের আশায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। নিশ্চয়ই আল্লাহ নিজ মেহেরবানীতে আমাকে ক্ষমা করেছেন। রমযানুল মুবারকের খায়র ও বরকত নিশ্চয়ই আমাকে দান করেছেন। মুমিন তখন আল্লাহ তাআলার শোকরগোযারী করে, হামদ ও ছানা করে এবং তাকবীরের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার বড়ত্ব ও মহত্ব ঘোষণা করে। ঈদের দিন আল্লাহ তাআলার নির্দেশিত পন্থায় ঈদুল ফিতর এর আমলগুলো সম্পন্ন করে।

সুলতান আহমেদ মসজিদের ভেতরের দৃশ্য -ছবি: সংগৃহীত

এই লেখায় যে দুর্বলতাটি উল্লেখ করতে চাই তা এই যে, আমাদের মধ্যে অনেকের কথা ও আচরণে বোঝা যায় যে, মাহে রমযান যেন একটি বিপদ ছিল! শাওয়ালের চাঁদ দৃষ্টিগোচর হওয়ার দ্বারা এই বিপদ দূর হয়েছে! তাই আনন্দ!! বস্তুত এই দুর্বলতার শিকার তো তারাই হতে পারে যাদের রোযা রাখার তাওফীক হয়নি। তাদের জন্য তো প্রকৃতপক্ষেই রমযান ছিল ক্ষতির মাস।

কিন্তু মুমিন এই মাসের আগমনে এজন্য আনন্দিত হয় যে, এটা তার দ্বীনী ও ঈমানী তরক্কীর মাস। এজন্য একে বিপদের পরিবর্তে মহা সৌভাগ্য মনে করে এবং আগ্রহের সঙ্গে তার প্রতীক্ষায় থাকে। আর এ মাস সমাপ্ত হলে সে এ আশায় আনন্দিত হয় যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির পরওয়ানা তার হাসিল হয়েছে!

আরো পড়ুন: রমযান তো চলে গেলো, কী রয়ে গেলো তবে!

বিজ্ঞাপন