এক রমযানে একাধিক রোযা ভাঙ্গলে কতটি কাফফারা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন: যায়েদ এক রমযানের ১০ টি রোযা রাখার পর শয়তানের ধোকায় সুস্থ অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করে তা ভেঙ্গে ফেলে। সে ঐ রোযাগুলোর কাফফারাও আদায় করেনি। কিন্তু এখন সে অনুতপ্ত এবং এ বিষয়ে শরীয়তের সমাধান জানতে আগ্রহী। ঐ ব্যক্তির উপর কি ইচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে? যদি ওয়াজিব হয়ে থাকে তবে সে কি প্রত্যেকটি রোযার পরিবর্তে পৃথক পৃথক কাফফারা আদায় করবে, না সবগুলো রোযার পরিবর্তে একটি কাফফারা আদায় করলেই যথেষ্ট হবে?

উত্তর: রোযাগুলো ভেঙ্গে ফেলার কারণে তার উপর প্রত্যেক রোযার পরিবর্তে একটি করে কাযা আদায় করা ওয়াজিব হয়েছে। আর একই রমযানে কয়েকটি রোযার কাফফারা ওয়াজিব হওয়ায় এখন সবগুলোর জন্য একটি কাফফারা আদায় করলেই যথেষ্ট হয়ে যাবে।

হাদীস শরীফে আছে, জনৈক ব্যক্তি রমযান মাসে দিনের বেলা আহার করে ফেলার পর রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একটি গোলাম আযাদ করা বা ধারাবাহিক ষাটটি রোযা রাখা অথবা ষাটজন মিসকীনকে খানা খাওয়ানোর আদেশ দিয়েছেন।

পূর্ববর্তি সংবাদসর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে ২০ জনের প্রাণহানী
পরবর্তি সংবাদরাশিয়াকে টপকে আক্রান্তে দ্বিতীয় স্থানে ব্রাজিল