একান্ত সাক্ষাৎকারে ড. মুফতি ইয়াসির নাদীম: যাদেরকে দাওয়াত দেব, তাদের ভাষাও আমাদের জানতে হবে

ড. মুফতি ইয়াসির নাদীম আল ওয়াজেদী। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভারতীয় এক মেধাবী ইসলামী স্কলার। তারুণ্যদীপ্ত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ইউটিউবে তার জনপ্রিয় টকশো- সার্জিক্যাল স্ট্রাইক বহু দর্শক-শ্রোতাকে আকর্ষণ করে। ভারতের এক মশহুর ইলমি খান্দানের উত্তরসুরী এই অ্যাংকর ও আলোচক ইসলাম ও মুসলিম স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যুক্তিপূর্ণ ভাষায় আলোকপাত করে থাকেন। ভারত, উপমহাদেশ ও বিশ্ব মুসলিমের বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি কথা বলেন।

সম্প্রতি প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহের এক দ্বীনী দাওয়াতি সফরে বাংলাদেশে আসেন। সফরের ব্যস্ত শিডিউলের এক ফাঁকে ইসলাম টাইমস -এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। এ সাক্ষাৎকারে তিনি আধুনিক ধারার সঙ্গে যুক্ত তরুণদের মাঝে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার, ইসলামী রাজনীতি, ইলহাদ ও ইরতিদাদের ফেতনা মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন ইসলাম টাইমস সম্পাদক শরীফ মুহাম্মদ।

বিজ্ঞাপন

(বিশেষ কৃতজ্ঞতা: মাওলানা আনাস উদ্দিন. নিউইয়র্ক, মুফতি রূহুল আমীন. উত্তরা ঢাকা)

সাক্ষাৎকারের আরেকটি পর্ব ইনশাআল্লাহ প্রচারিত হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি। শিগগিরই দুটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও সম্পাদনাসহ আপ করা হবে ইউটিউবে।

ইসলাম টাইমস : আস সালামু আলাইকুম। কেমন আছেন ?

ইয়াসির নাদিম : ওয়ালাইকুমুস সালাম । আলহামদুলিল্লাহ। ভালো আছি।

ইসলাম টাইমস : কেমন লাগছে বাংলাদেশে আপনার এই প্রথম সফর?

ইয়াসির নাদিম : আমি যেখানে জন্ম গ্রহণ করেছি, সেখানে মুসলমানরা সংখ্যালঘু এবং অমুসলিমরা সংখ্যাগুরু। এখন যেখানে থাকি সেখানেও মুসলমানরা সংখ্যালঘু , অমুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। মুসলিম সংখ্যাগুরু হিসেবে বাংলাদেশে আমার অনুভূতি- শুধু বাংলাদেশেই নয়- এমন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান অধ্যুষিত যে কোন দেশে গেলেই পরিবেশের একটা পার্থক্য দেখতে পাই। এখানকার সাধারণ মুসলমান জনগণ, তাদের ভদ্রতা, সৌজন্য, ধর্মীয় আবেগ, জযবা সারা দুনিয়াতেই উদাহরণ হিসেবে পেশ করা হয়। আলহামদুলিল্লাহ আমার অনেক ভালো লাগছে।

ইসলাম টাইমস : আপনি একটি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এসেছেন। মুসলমানদের হালচাল আপনার সামনে এসেছে। তো একটা প্রশ্ন হচ্ছে যে, মুসলমানদের যেই নতুন প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, যারা ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত, মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেনি, তাদের জন্য দ্বীনের সংক্ষিপ্ত জরুরী শিক্ষা কীভাবে হতে পারে এই বিষয়ে আপনার কিছু বলবেন কি?

ইয়াসির নাদিম : দেখুন,  এখানে দুটি বিষয় জরুরী। যেভাবে এটা জরুরী যে স্কুল কলেজের ছাত্রদেরকে ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হবে, তেমনি এটাও জরুরী যে স্কুল কলেজ থেকে কিছু শিক্ষা মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে দেওয়া হবে। আমরা শুধু একদিকের প্রয়োজন পূরণ করব না। আমরা আমাদের নিজেদের প্রয়োজনও পূরণ করব। কিন্তু আমাদের অবস্থাটা হচ্ছে- সব জায়গাতেই- বাংলাদেশ এবং অন্যান্য মুসলিম দেশ বিশেষত উপমহাদেশে, আমরা আমাদের শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে দিই। আমরা মনে করি, আমরা তো স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমরা পরিপূর্ণ। কিন্তু আসলে আমরা পরিপূর্ণ নই। আমরা অন্যদেরকে পরিপূর্ণ তখনই করতে পারব যখন আমরা নিজেদেরকে পরিপূর্ণ করব।

এর কারণ হচ্ছে আপনি যখন তাদেরকে কিছু শিখাতে যাবেন তখন তাদের সাথে চলাফেরা না করার কারণে তাদের ভাষা ও পরিভাষাগুলো আপনি বুঝবেন না। একটা কমিউনিকেশন গ্যাপ থাকবে। এই গ্যাপটাকে কমিয়ে আনার জন্য পরস্পরের যোগাযোগ, আদান-প্রদান থাকতে হবে।

ইসলাম টাইমস : বিবিসির এক রিপোর্টে দেখেছি, আবার এমনিতেও দেখা যাচ্ছে, বিগত ১০-১৫ বছরে মুসলিম দেশগুলোতে ধর্মত্যাগ তথা এরতেদাদের ফেতনা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। তো এই ফেতনা মোকাবেলা করার জন্য আপনার কী পরামর্শ ? কীভাবে নতুন প্রজন্মের ভিতরে  দ্বীনের উপর আস্থা ফিরিয়ে আনা যায়? কীভাবে তাদের বিশ্বাস মজবুত করা যায় ? এ বিষয়ে আপনার কী চিন্তা ভাবনা?

ইয়াসির নাদিম : আমি সফরে যেখানেই যাচ্ছি এবং যেখানেই আল্লাহর তৌফিকে কিছু কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি সবাইকেই পরামর্শ দিচ্ছি মাদ্রাসায় যেভাবে হাদিস তাফসীর ইফতা ইত্যাদি বিষয়ের বিভাগ রয়েছে তেমনি ইরতিদাদের মোকাবেলার জন্য একটি বিভাগ থাকা চাই। যেখানে এই বিষয়ে পড়াশোনা হবে। নতুন প্রজন্মের সমস্যা, সন্দেহ, সংশয় নিয়ে গবেষণা করা হবে। তারপর সেগুলোর তথ্যনির্ভর যুক্তিভিত্তিক জবাব দেয়া হবে খুব আন্তরিকতার সাথে এবং ভালোবাসার সাথে।  জবাবগুলো হবে খুবই যুক্তিনির্ভর এবং তথ্যনির্ভর, সেসাথে থাকবে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা।

আর তাদের সংশয় সন্দেহের জবাব কোনো কঠিন কাজ নয়। তাদের  সন্দেহ-সংশয়গুলো খুব সহজেই দূর করা যায়। কিন্তু সমস্যা হল তাদের ভাষা এক, আর আমাদের ভাষা আরেক- এটা হল মূল সমস্যা।

মুসলিম দেশগুলোতে যে বড় সমস্যা আমি দেখতে পাচ্ছি তা হলো, ইউনিভার্সিটিগুলো যেখান থেকে এরতেদাদ তথা ধর্মত্যাগের ফেতনার সূচনা হয় সেখানে আলিমদের প্রতিনিধিত্বকারী কেউ নেই। সেখানে আলেমগণ যখন যাবেন তখনই তারা এসবের মোকাবেলা করতে পারবেন।

ইসলাম টাইমস : এ বিষয়ে গণমাধ্যমের অপপ্রচারের যেই প্রভাব রয়েছে এসব গণমাধ্যমের প্রভাব মোকাবেলায় আজকের যুগে আমাদের কী করা উচিত ?

ইয়াসির নাদিম :  আজকের যুগে এ অজুহাত দাঁড় করানোর সুযোগ শেষ হয়ে গেছে যে, আমরা পশ্চিমা মিডিয়ার মোকাবেলা কীভাবে করব। যেমন ধরুন আপনি একটি চ্যানেল চালাচ্ছেন। আমি একটি চ্যানেল চালাচ্ছি। তো আমাদের দুজনের মিলে এক লাখ সাবস্ক্রাইবার আছে। যদি কোনো বড় চ্যানেলের এক মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার থাকে, আর আমার আর আপনার থাকে এক লাখ। তাহলে বাকি থাকল নয় লাখ। এভাবে যদি আরও ৭-৮ জন লোক আমরা দাঁড়িয়ে যাই, তাহলে আমরা বড় একটি চ্যানেলের মুকাবিলা করতে পারি। কথা হল- যেভাবে আমরা মোকাবেলা করব সেটা তথ্যনির্ভর হতে হবে এবং সেটা নিয়মিত হতে হবে। এমন না যে দুদিন পরে বন্ধ হয়ে গেল। আপনি মোকাবেলা তখনই করতে পারবেন যখন আপনি এটাকে আপনার ফুলটাইম ব্যস্ততা বানিয়ে নিবেন।

ইসলাম টাইমস : মুসলিম দেশের ইসলামি রাজনৈতিক অবস্থার বিভিন্ন চিত্র আমাদের সামনে আসে, যা কখনো কখনো হতাশা জাগায়। কখনো কখনো আশা জাগায়। এ বিষয়ে আপনার কি মতামত? পরিবর্তিত বিশ্বে কিভাবে হওয়া উচিত আমাদের রাজনীতিগুলো?

ইয়াসির নাদিম : আমার দেখা অনুযায়ী মুসলিম দেশগুলোতে আলেমগণ যখন রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন তখন তারা প্রথমেই সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে চান। যে ব্যবস্থা আগে থেকেই চলে আসছে সেটা তারা পরিবর্তন করতে চান। তারা বলেন, এর পরিবর্তে আমরা ইসলামী ব্যবস্থা নিয়ে আসব। আর নিয়ম হল যখন কোন ব্যবস্থার সাথে কোন ব্যবস্থার সংঘর্ষ হয় তখন সেটা খুবই মারাত্মক আকার ধারণ করে। এর পরিণতি অনেক ভয়াবহ হয়। কোনো ব্যবস্থার পরিবর্তন জোরপূর্বক হওয়া উচিত নয়। যেকোনো ব্যবস্থার পরিবর্তন জনগণের সম্মতিতে হওয়া উচিত।

এটাই আমরা রাসুলের জীবন থেকে শিখতে পারি। নবীজী মদীনায় এসে নিজের ব্যবস্থাকে চাপিয়ে দেননি। সবার সাথে একটি সন্ধি চুক্তি করেছেন। তারপর সবার সামনে এক ব্যবস্থা পেশ করেছেন যা সবাই গ্রহণ করে নিয়েছিল । সুতরাং যদি বুদ্ধিমত্তার সাথে, যুক্তির সাথে রাজনীতি হয় তাহলে সেই রাজনীতি অনেক ভালো। কিন্তু যদি আবেগ ও জযবার মাধ্যমে হয় তাহলে সেখানে অনেক প্রান্তিকতার সৃষ্টি হয়। শেষে  ইসলামী ব্যবস্থা আর কখনোই প্রতিষ্ঠা হয় না।

সাক্ষাৎকার।

একান্ত সাক্ষাৎকারে ড. মুফতি ইয়াসির নাদীম আল ওয়াজেদী ( ভিডিও)__________________________________ড. মুফতি ইয়াসির নাদীম আল ওয়াজেদী। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভারতীয় এক মেধাবী ইসলামী স্কলার। তারুণ্যদীপ্ত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ইউটিউবে তার জনপ্রিয় টকশো- সার্জিক্যাল স্ট্রাইক বহু দর্শক-শ্রোতাকে আকর্ষণ করে। ভারতের এক মশহুর ইলমি খান্দানের উত্তরসুরী এই অ্যাংকর ও আলোচক ইসলাম ও মুসলিম স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যুক্তিপূর্ণ ভাষায় আলোকপাত করে থাকেন। ভারত, উপমহাদেশ ও বিশ্ব মুসলিমের বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি কথা বলেন।সম্প্রতি প্রথমবারের মতো এক সপ্তাহের এক দ্বীনী দাওয়াতি সফরে বাংলাদেশে আসেন। সফরের ব্যস্ত শিডিউলের এক ফাঁকে ইসলাম টাইমস -এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। এ সাক্ষাৎকারে তিনি আধুনিক ধারার সঙ্গে যুক্ত তরুণদের মাঝে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার, ইসলামী রাজনীতি, ইলহাদ ও ইরতিদাদের ফেতনা মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন ইসলাম টাইমস সম্পাদক শরীফ মুহাম্মদ। ক্যামেরা: আতীক আনোয়ার(বিশেষ কৃতজ্ঞতা: মাওলানা আনাস উদ্দিন. নিউইয়র্ক, মুফতি রূহুল আমীন. উত্তরা ঢাকা)সাক্ষাৎকারের আরেকটি পর্ব ইনশাআল্লাহ প্রচারিত হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি। শিগগিরই দুটি ভিডিও সাক্ষাৎকার সম্পাদনাসহ আপ করা হবে ইউটিউবে।টেক্সট কপি লিংক: https://islamtime24.com/2020/02/12/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a7%8e%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%ab/

Posted by islamtimes24.com on Tuesday, February 11, 2020

বিগত সত্তর আশি বছর ধরে বিভিন্ন দেশে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু কোথাও এটা স্থায়ীত্ব লাভ করতে পারেনি। কারণ জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে সেখানে জনমত তৈরি করা হয়নি। জনমত তৈরির আগে শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছিল। অথচ উচিত ছিল আগে জনমতকে পরিবর্তন করা এরপর শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন করা।

ইসলাম টাইমস : তরুণ, নবীন যুবকদের জন্য, তারা যেখানেই হোক, মাদ্রাসায় কিংবা স্কুলে, কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের ধর্মীয় বিষয়ে, চারিত্রিক বিষয়ে আপনার কী পরামর্শ?

ইয়াসির নাদিম : দেখুন, তরুণরা যেখানেই থাকুক, আমাদের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবনের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। আমাদের আদর্শের, উত্তম চরিত্রের মানদন্ড রাসূলের চরিত্র। কিন্তু আমাদের স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিতে এটাই শেখানো হচ্ছে যে, আদর্শ চরিত্রের মানদন্ড হচ্ছে তাই যা পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আসে। এমন ভাবে এটা শেখানো হয় যে, তারা যদি কোনো জিনিসকে ভালো বলে তাহলে সেটাকে আমরা ভালো মনে করবো। আর যদি খারাপ মনে করে সেটাকে খারাপ মনে করব।

বিপরীতে আমরা যদি স্কুলের প্রথম ক্লাস থেকে আমাদের শিশুদেরকে এই কথা বোঝাতে পারি যে চরিত্রের মানদন্ড পশ্চিম নয়,। চরিত্রের মাণদণ্ড আমাদের নবীজীর আদর্শ। যদি স্কুলের প্রথম ক্লাস থেকে একটি শিশু এ কথা শুনতে থাকে, সেই শিশুকে স্কুল-কলেজে যাওয়ার পরেও এ কথা আবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তাকে সত্যিকারের মুসলমান হওয়া থেকে, চরিত্রবান মানুষ হওয়া থেকে কোনো জিনিসই বাধা দিতে পারবে না।

ইসলাম টাইমস : বহির্বিশ্বের দেশগুলোতে আফটার  স্কুল মকতব প্রজেক্ট সম্পর্কে আমরা শুনি। এগুলো সম্পর্কে কিছু বলুন।  এগুলোর প্রভাব, এগুলোর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

ইয়াসির নাদিম :  জি, স্কুলগুলোতে  আফটার স্কুল মকতবের প্রজেক্ট মূলত শুরু হয়েছে স্কুলগুলোতে ইসলামী শিক্ষার কোন ব্যবস্থা না থাকার কারণে। যদি স্কুলে ১-২ ঘন্টা যথাযথভাবে কোরআন শেখানোর ব্যবস্থা থাকত, দ্বীন শেখানোর ব্যবস্থা থাকত, তাহলে এরকম আফটার স্কুল মকতব, স্কুল পরবর্তী কুরআন শেখার জন্য ক্লাসের দরকার হতো না। এখন যেহেতু এই ব্যবস্থা নেই তাই স্কুল পরবর্তী সময়ে কুরআন শেখানোর এই  ক্লাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ছেলে যদি প্রতিদিন ১ ঘন্টা কোনো হাফিজের সাথে কাটায়, কোন ধর্মীয় আলেমের সাথে এক ঘন্টা অথবা দুই ঘণ্টা অবস্থান করে কোরআন শেখে, দ্বীন শেখে তাহলে সেই শিশুর জীবনে দ্বীন খুব সহজেই চলে আসবে। ইনশাআল্লাহ।

ইসলাম টাইমস:  আপনাকে অনেক অনেক শুকরিয়া

ইয়াসির নাদিম : আপনাকেও।

উর্দূ থেকে ভাষান্তর : এনাম হাসান জুনাইদ

বিজ্ঞাপন