পথনির্দেশকের ভূমিকায় নানারকম উদ্যোগ নিতে পারে ইসলাম টাইমস

34

গাজী ইয়াকুব ।।

যে কোন বিষয়ে সফলতা দেখতে বা পেতে হলে আগে তার দায়িত্বশীলদেরকে দেখতে হয়। দেখতে হয়, কারা কাজ করছে, তাদের মেধা- দূরদর্শীতা কতটুকুন আছে!  লোকগুলো যোগ্য কি-না! হাঁ তারা যদি অতীতেও সফলতা পেয়ে থাকেন তাহলে আগামীতেও সফল হবেন ইনশাআল্লাহ।

ইসলাম টাইমসকে এমনকিছু মানুষ পরিচালনা ও সম্পাদনা করছেন যাদের অতীত সফলতায় ভরপুর এবং যাদের কর্মস্পৃহা আয়নার ন্যায় পরিষ্কার। যারা লিখনী, তালীম-তাআল্লুম, রাজনীতি, ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছেন।

ঠিক সেই মানুষগুলো যখন দেরিতে হলেও মিডিয়ায় আলেমসমাজের অভাব পূরণে অনলাইন পত্রিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন, আশা করি এবং সেইসাথে দোয়াও করি, ইসলাম টাইমস খুউব অল্পসময়ের মাঝেই তার লক্ষপানে পৌছে যাবে ইনশাআল্লাহ।

 

তবে একইসঙ্গে আমার মত অযোগ্যের কিছু পরামর্শ হচ্ছে:

১) ইসলাম টাইমস অন্যান্যদের মত সস্তাদরের কোনো ভাইরাল-জাতীয় সংবাদ যেন কখনোই প্রকাশ না করে।

২) নতুনত্ব উপহার দিয়ে তৃণমূলের পাঠক ধরা, সংবাদের সাথে সাথে নিভৃতচারী অথচ কর্মজীবনে সফল এজাতীয় মানুষগুলোর কাজকে তুলে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রাখে।

৩)  গণমাধ্যম-কাজে নবীনদেরকে পথনির্দেশকের ভূমিকা ও মাঝেমধ্যে সাহিত্য মজলিশের আয়োজন করতে পারে ইসলাম টাইমস।

৪) অল্প আকারে হলেও স্পন্সর, শুভানুধ্যায়ী ও গুনিজনদেরকে একত্রিত করে মাঝে মাঝে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পারে।

৫) বিভাগীয় শহরগুলোতে ছোট পরিসরে হলেও বিষয়ভিত্তিক সেমিনারের আয়োজন করার চেষ্টা করতে পারে।

৬) সফল মানুষজনকে নিয়ে মাঝেমাঝে সমকালীন বিষয়ে তাদের বক্তব্যগুলো লাইভ প্রচার করার উদ্যোগ নেওয়া যায়

৭) যেসকল ভাই ও বন্ধু অনলাইনে দ্বীনপ্রচার এবং দেশজাতির নিরপেক্ষ খবর প্রচারে রাতদিন খেটে যাচ্ছেন তাদেরকে দূরে ঠেলে না দিয়ে সূসম্পর্ক বজায় রাখা এবং সম্ভব হলে একটি এসোসিয়েশন গড়ে তোলা

সবশেষে ইসলাম টাইমসের সকল পাঠক, শ্রদ্ধেয় সম্পাদক ভাইয়া ও সব পর্যায়ের জিম্মাদারদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো।