ইসলাম টাইমসকে নিয়ে আমি অনেক বেশি আশাবাদী

211

সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার ।।

দেশের মূলধারার মিডিয়াতে ইসলাম ও মুসলমান ইস্যুকে উপেক্ষা করার বিষয়টি তো সুস্পষ্ট। দুয়েকটি সংবাদমাধ্যমে সামান্য যা প্রকাশ করা হতো ১৩ সালের হেফাজতের ঘটনার পর তা প্রায় বন্ধই হয়ে গেলো। সে প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল আলেমদের সাথে কথা বলে ইনসাফ-এর যাত্রা শুরু হয় হেফাজত ট্র্যাজেডির এক বছর পর ২০১৪ সালের ৫ মে।

শুরুর দিকে ইসলামিক ইস্যুতে প্রতিবেদন করতে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের কারো কারো থেকে নির্মোহ ব্যবহার পেয়েছি। পরে যখন আওয়ার ইসলাম আরও কিছুদিন পরে ফাতেহ এবং ইসলাম টাইমস এ অঙ্গনে কাজ করতে এল তখন আমার সাহস ও আশা দু’টোই বেড়েছে।

একটা আশার কথা হলো, অল্প কয়েকটি ইসলামমনা অনলাইন পোর্টালের উপস্থিতি দেশের মূলধারার মিডিয়ার অনলাইন ভার্সনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে। এখন দেখা যায়, ইসলাম ঘটিত অনেক বিষয়ে আমাদের আগে দেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যম কভার করে ফেলে।

তবে দুঃখজনক ব্যাপার হলো, আমাদের আর্থিক সংস্থান সীমিত হওয়ার কারণে আমরা সবক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারি না। তাছাড়া বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই কেউ কেউ যেনতেন সাইট খুলে সত্য-মিথ্যা সংবাদ প্রচার করতে থাকে -এটা অনেক সময় গোটা অঙ্গনেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ইসলাম টাইমসের বছরপূর্তি নিঃসন্দেহে খুশির খবর। একবছরেই এ পোর্টালটি ইসলামি ধারায় একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করে নিতে পেরেছে। ইসলাম টাইমসের সবচেয়ে শক্তির জায়গা হলো, তার সম্পাদক আমাদের শ্রদ্ধেয় বড়ভাই মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ। সত্যি কথা বলতে কি, আমার সাইটের পর ইসলাম টাইমসের প্রতিই আমার মুগ্ধতা সবচেয়ে বেশি। অনলাইন সাংবাদিকতায় ইসলাম টাইমসের আগমন আমাদেরকে অনেক শক্তি ও সাহস যুগিয়েছে। আমি ইসলাম টাইমসকে নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী।

লেখক: সম্পাদক, ইনসাফ টোয়েন্টি ফোর ডট কম

(শ্রুতিলিখন)