ছাত্রলীগের দুই সহ-সভাপতির মারামারি, একজনকে বলা হল ‘জামায়াত-শিবির’

105

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের গাড়িতে বসা নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই সহ-সভাপতির মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

তাদের  একজনের নাম শাহরিয়ার কবির ওরফে বিদ্যুৎ, আরেকজনের নাম তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে জহির। শাহরিয়ার দাবি করে বলেন, তৌহিদুল সিন্ডিকেটের লোক ও তার ব্যাকগ্রাউন্ড “জামায়াত-শিবির”। যারা আমার মতো দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগের রাজনীতি সঙ্গে জড়িত, তাঁরাও তৌহিদুলের টার্গেটে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে মধুর ক্যানটিনে আসেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী। বেলা একটার দিকে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্যে মধুর ক্যানটিনের সামনে থেকে গাড়িতে ওঠেন ছাত্রলীগের সভাপতি। গাড়িতে তার সঙ্গে শাহরিয়ার আর তৌহিদুল ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান। কয়েক গজ যেতে না যেতেই গাড়ি থামিয়ে শাহরিয়ার ও তৌহিদুলকে নামিয়ে দেন ছাত্রলীগের সভাপতি। গাড়ি থেকে নেমেই মধুর ক্যানটিনের সামনে দুজনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল মারামারি। একজন আরেকজনকে ইট দিয়ে আঘাতও করেন।

মারামারির ঘটনার পর চিকিৎসা নিতে শাহরিয়ার কবির যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে আর তৌহিদুলকে নিজের গাড়িতে করে নিয়ে যান ছাত্রলীগের সভাপতি। শাহরিয়ারের চোখের ওপরের অংশে ৬টি সেলাই পড়েছে বলে জানা গেছে। তবে মুঠোফোনে কথা হলে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন তৌহিদুল। মারামারির ঘটনাটিও অস্বীকার করেন তিনি।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা তেমন সিরিয়াস কোনো ঘটনা নয়।’ শাহরিয়ার কবিরের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য শাহরিয়ার এই ঘটনাটিকে ব্যবহার করতে চাইছেন।’