গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা মুসলিম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ, এটা অব্যাহত রাখতে হবে: ড. আ ফ ম খালিদ

90
কিতাব ও সুন্নাহ মেলা’য় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখছেন- অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক, লেখক ও জনপ্রিয় বক্তা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা মুসলিম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ, এটা অব্যাহত রাখতে হবে।

আজ বাদ জুমা মুহাররম মাস উপলক্ষে চট্টগ্রামের জামিয়াতুল উলূম আল-ইসলামিয়া লালখান বাজার মাদরাসা’র উদ্যোগে মাদ্রাসা মাঠে কিতাব ও সুন্নাহ মেলা’র উদ্বোধন করার সময় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা মুসলিম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ, গৌরবময় এই ঐতিহ্যধারা আমাদেরকে অব্যাহত রাখতে হবে।

অধ্যাপক খালেদ আরো বলেন, গ্রন্থের সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক পুরনো। স্পেনে, বাগদাদে ও মিশরে মুসলমানরা বিশ্বখ্যাত গ্রন্থাগার গড়ে তুলেন। মুসলিম বিজ্ঞানী ইবন সীনা লিখিত “আল কানুন ফিত তিব” ৬শ বছর ধরে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠভুক্ত ছিল। আরবী, উর্দূ ও ফার্সী ভাষায় লিখিত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক গ্রন্থগুলো সাবলীল বাংলায় তরজমা হয়ে বাজারে এসেছে। এর পেছনে তরুণ আলিমদের বিশেষ অবদান রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি জাতির পরিচয় নির্ভর করে তাঁর সংস্কৃতিক ঐতিহ্যের লালন, জ্ঞানচর্চার প্রতি আগ্রহবোধ এবং সাহিত্যকর্ম ও বুদ্ধিবৃত্তিক সাধনার উপর। খ্রিস্টীয় ৭৫০ থেকে ১১০০ শতক পর্যন্ত মুসলমানরা ছিল সারা দুনিয়ার জন্য এক্ষেত্রে রোল মডেল।

মেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মুহাম্মদ আমিনুল হক। প্রধান আলোচক ছিলেন জামিয়াতুল উলূম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মুফতি হারুন ইযহার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ কবিতা মঞ্চের সভাপতি কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী।

উল্লেখ্য, আজ থেকে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৬ দিন এই কিতাব ও সুন্নাহ মেলা চলবে। দেশের প্রায় ৩০টি প্রকাশনী মেলায় স্টল দিয়েছে। উদ্বোধনী দিনেই মেলায় আগ্রহী গ্রন্থপ্রেমিদের ব্যাপক আগ্রহ ও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।