অবশেষে শায়খের সন্ধান পেলাম, আলহামদুলিল্লাহ

1430

মাহফুজ আহমেদ ।।  লন্ডন প্রবাসী আলেমেদ্বীন

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে পোস্ট করেছিলাম যে, আল্লামা শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রাহিমাহুল্লাহ এর লেখায় একজন সিলেটি আলেমের নাম পাওয়া যায়। তাঁর নাম শায়খ শামিম মুহাম্মাদ সিলেটি। শায়খ আবু গুদ্দাহ এর তা’লিককৃত “আল ইমাম ইবনু মাজাহ ওয়া কিতাবুহুস সুনান” এর তাতিম্মা বা পরিশিষ্টে শায়খ শামিম মুহাম্মাদ রচিত ‘হিওয়ারুম মাআল আলবানি’ নামক গ্রন্থের হাওয়ালা দিয়েছেন। সেই গ্রন্থ থেকে তিনি প্রায় ৪০ পৃষ্ঠা উদ্ধৃত করেছেন। (দেখুন: পৃ. ২৯১-৩৩০)

বিষয় হলো, ওই সিলেটি আলেম এর পরিচয় কী?

বার্তাটি ফেইসবুক ছাড়া ওয়াটসআপের কয়েকটি গ্রুপেও দিয়েছিলাম। ইকরা টিভির ওয়াটসআপগ্রুপ থেকে মেসেজ পেয়ে ওই শায়খের বড়ভাই মাওলানা হাবিব নূহ অধমকে ফোন করেন। তিনি তার ছোট ভাই মাওলানা শামিম মুহাম্মাদ সাহেবের মোবাইল নাম্বার দেন।

ওই নাম্বারে কল দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ মাওলানা শামিম মুহাম্মাদ সাহেবের সঙ্গে কথা বললাম। বস্তুত তিনি প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ শায়খ আবদুল মালিক সাহেবের সঙ্গে বিন্নুরি টাউন মাদরাসায় আল্লামা আবদুর রশিদ নোমানি রাহিমাহুল্লাহর নিকট তাখাসসুস ফিল হাদিস সম্পন্ন করেন। ১৯৯২ সালে পড়ালেখা শেষ করে তিনি একবছর তাবলিগে সময় দেন। এরপর দশ বছর সিলেটের কাজির বাজার মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন।

অতঃপর ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। বর্তমানে তিনি ম্যানচেস্টারের শাহপরান মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তাবলিগ ও চ্যারিটির কাজও করে যাচ্ছেন সমান্তরালে।

‘হিওয়ারুম মাআল আলবানি’ তার লেখা একটি বৃহৎ মাকালা। শায়খ আবদুর রশিদ নোমানি রাহিমাহুল্লাহ পরে এ মাকালাটি শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রাহিমাহুল্লাহকে দেখান। শায়খ তা খুব পছন্দ করেন। তবে মাকালাটি এখনও পাণ্ডুলিপি আকারে পড়ে আছে। ছাপানোর কথা তিনি ভাবছেন এবং তার সাথী শায়খ আবদুল মালেক সাহেবের সঙ্গে এব্যাপারে কথাও বলে চলছেন।

জিজ্ঞেস করলাম, এখন ইলমি কী কাজ করছেন? তার বিবিধ ব্যস্ততা, তাবলিগে সময় দেওয়া এবং চ্যারিটির কাজের চাপের কারণে নতুন করে তিনি কিছু লেখার সময় পাচ্ছেন না বলে উত্তর দিলেন।

লেখকের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া