যাত্রীদের ভিড়ে ঠাসা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল

22

ইসলাম টাইমস ডেস্ক: দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ বেশির ভাগই নদীপথে যাতায়াত করেন। আর নদীপথে রাজধানীতে প্রবেশের অন্যতম পথ সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল। শনিবার (১০ আগস্ট) ভোর থেকে টার্মিনালে বাড়ি ফেরা মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বাড়ির পানে ছুটছে মানুষ। ঈদযাত্রার শেষ  মুহূর্তেও নদীপথে লেগে আছে ঘরমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা থেকে যাত্রী নিয়ে আসা প্রতিটি লঞ্চ এখন কানায় কানায় পূর্ণ।

এদিকে যাত্রীরা বলছেন, ঘাটে পৌঁছাতেও তীব্র যানজটের ধকল সইতে হচ্ছে।

ঢাকা নদী বন্দরের পরিবহন পরিদর্শক মো: হেদায়েতুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, সকাল থেকে ঘাটে ৩৬টি লঞ্চ এসছে, ছেড়ে গেছে বিভিন্ন রুটের ২০টি লঞ্চ। আমরা কাউকে ছাদে উঠতে দেইনি। তেমনি কোন বিশৃঙ্খলাও নেই। আর লঞ্চগুলো যাত্রীতে পরিপূর্ণ হলেই ছেড়ে যাচ্ছে।

সকাল থেকে সদরঘাট টার্মিনাল ছেড়ে যাওয়া হুলারহাট, পিরোজপুর, ভান্ডারিয়া, শরীয়তপুর, বরগুনা, ভোলা, চরফ্যাশন, দুমকি, আমতলীসহ বেশ কয়েকটি পথের বেশির ভাগ লঞ্চ ছিল যাত্রীতে ঠাসা।

নৌ পুলিশের ইন্সপেক্টর এম এ মান্নান গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ঘাটে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। এখন পর্যন্ত কোন বিশৃঙ্খলার খবর পাই না। তবে আমরা সব সময়ই সতর্ক অবস্থানে আছি। যাতে কোন অপ্রপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য ২৪ ঘণ্টাই কাজ করছি।

শিমু বেগম যাবেন ভোলার মনপুরায়, ভোর পাঁচটায়  ঘাটে আসলেও এখন পর্যন্ত ওই রুটের কোন লঞ্চ ঘাটে আসেনি। ফলে সন্তানকে নিয়ে পন্টুনে অপেক্ষা করছেন তিনি। গণমাধ্যমকে বলেন, আমার স্বামী আজ থেকে ছুটি পেয়েছে, তাই সবাই মিলে বাড়ি যাচ্ছি। কিন্তু এখানে এসে কোন লঞ্চ পাইনি। দেখি লঞ্চ আসে কিনা।

ডেঙ্গু জ্বর নিয়েই সুমন হাওলাদার যাচ্ছেন বাড়িতে ঈদ করতে। হাতে ইনজেকশন দেয়ার ব্যান্ডেজ এখনো খোলা হয়নি, তবুও নাড়ির টানে বাড়ি ফরছেন তিনি। গণমাধ্যমকে বলেন, ছুটিতে তো আছি ১৫ দিন ধরে। গতকাল মেডিকেল থেকে ছুটি পেয়েছে, তাই আজ যাচ্ছি। কারণ পরিবারের সঙ্গে ঈদটা করতেই হবে।