বুযুর্গদের ইতিকাফ : আমল-আখলাকের তারাক্কীর জন্য যশোরের মাদানীনগর মাদরাসায় জমায়েত হন বহু মানুষ

129

ইসলাম টাইমস প্রতিবেদন: শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ.-এর বিশিষ্ট খলিফা শায়েখ তাজাম্মুল আলী সিলেটি (লাউড়ির হুজুর) তিনি দীর্ঘদিন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার লাউড়ী নামক গ্রামে ‘লাউড়ি কামিল মাদরাসা’র সুপার ছিলেন। লাউড়ি মাদানি খানকাহ মসজিদে পুরো রমযান ইতেকাফ করতেন। হযরতের ইন্তেকালের পর তার খলিফা মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাস সাহেব এই খানকা স্থানান্তর করে নিজ প্রতিষ্ঠান জামেয়া ইমদাদিয়া মাদানীনগরে নিয়ে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর মাদানীনগর মাদরাসার মসজিদে রমযানব্যাপী ইতেকাফের আমল হয়৷ এতে প্রায় তিনশো আলেম ও সাধারণ দীনদার অংশগ্রহণ করেন৷

এসব তথ্য ইসলাম টাইমসকে জানান জা‌মেয়া ইমদা‌দিয়া মাদানীনগরের শিক্ষক মুফতি ইয়ামিন।

তিনি আরো বলেন, মুফতি ওয়াক্কাস সাহেবের তত্ত্বাবধানে এই ইতিকাফের আমল প্রায় একযুগ ধরে চলে আসছে। লাউড়ি হুজুরের জীবদ্দশায় প্রথম বিশদিন তিনি মাদানীনগর মাদরাসায় নফল ইতিকাফ করতেন৷ শেষদশকে সুন্নত ইতিকাফ করতেন লাউড়িতে৷

জানা যায়, মাসব্যাপী ইতিকাফের আমলের জন্য ‘নিযামুল আওকাত’ তথা প্রত্যহিক রুটিন তৈরী করা হয়। রুটিনের প্রতি যত্নবান হয়ে আমল করা হয়। সময়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সকালে ঘুম থেকে কুরআন তিলাওয়াত, মশকে কুরআন ও নামাজের তালীম৷ তারপর যোহর পর্যন্ত বয়ান। বাদ যোহর তালীম শেষে ইনফিরাদী আমল।… এভাবেই পুরো চব্বিশ ঘন্টার তারতিব সামনে রেখে রমযানের মহিমান্বিত সময়গুলো ইসলাহ ও আমলের তরাক্কীতে অতিবাহিত করেন।