এবার রমযানে বের হয়েছে উলামা-তুলাবাদের সাড়ে তিন হাজার দাওয়াতি জামাত

2010

ইসলাম টাইমস প্রতিবেদন: বার্ষিক পরীক্ষার পর রমযান উপলক্ষে কওমি মাদরাসাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা-কার্যক্রম একমাসের মতো বন্ধ থাকে। ছাত্র-উস্তাযদের অনেকে এ সময়টাতে দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে সময় দিয়ে থাকেন। দাওরায়ে হাদীস বা অন্যান্য কোর্স সমাপনকারী অনেকেই রমযানের আগে আগে এক বছরের জন্য দাওয়াতের মেহনতে (সালে) বের হন। সাধারণ মানুষ আলেম, তুলাবাদের সোহবতে থেকে নিজের আমল-ইবাদাত, তিলাওয়াতকে শুদ্ধ করার জন্য রমযানের গুরুত্বপূর্ন সময়টাকে বেছে নেন দাওয়াতের কাজে বের হতে।

এবার রমযান উপলক্ষে সারাদেশ থেকে ১০-১৫ সদস্য বিশিষ্ট উলামা তুলাবা ও সাধারণ মানুষের প্রায় সাড়ে তিনহাজার দাওয়াতি জামাত বের হয়েছিল। চল্লিশদিন বা বিশদিন সময় লাগানোর পর এখন নিরাপদেই জামাতগুলো ফিরে আসছে। বড় ধরণের কোনো সমস্যা দেশের কোথাও হয়নি।

কাকরাইলের বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক দায়িত্বশীল ইসলাম টাইমসকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

১ ডিসেম্বরের দুঃখজনক ঘটনার কোনো প্রভাব এ বছর জামাত বের হওয়ার ক্ষেত্রে পড়েছে কি না জানতে চাইলে কাকরাইলের একজন দায়িত্বশীল জানান, টঙ্গীর ঘটনার পরে দাওয়াতের কাজের সাথে মানুষের সম্পৃক্ততা আরো বেড়েছে। মাদরাসায় দাওরায়ে হাদীসের পরীক্ষা দেরিতে শেষ হওয়াই এবার তুলাবাদের জামাতে কিছু সাথী কম হয়েছে তবে এটা টঙ্গী ময়দানের ঘটনার প্রভাবে নয়।

এ রমযানে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কী পরিমাণ জামাত গিয়েছে জানতে চাইলে বিদেশি জামাতের দায়িত্বে থাকা একজন  জানান, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেক বেশি জামাত বিদেশে গিয়েছে।

কাকরাইলের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সেখানের এক মুরুব্বি জানান, পরিস্থিতি এখন শান্ত। তবে পনেরদিন পর যখন মারকাযে আমাদের ভাগের সময় শেষ হয়ে যায় তখন কাকরাইল মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের অবরুদ্ধ জীবন যাপন করতে হয় যা খু্বই পীড়াদায়ক। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া তাদের বের হতে দেওয়া হয় না।