ধর্ষকের বিচার তো হতেই হবে, সঙ্গে কুলাঙ্গার শিক্ষিকারও

328

আলী হাসান তৈয়ব ।।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত মাই টিভির স্টাফ রিপোর্টার আবু সাঈদ অপুর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এটি গতকালকের একটি আলোচিত সংবাদ। ওই শিক্ষিকা আরজিতে উল্লেখ করেছেন, ‘আবু সাঈদ অপু তার পূর্বপরিচিত। বিয়ের প্রলোভন দেয়ায় হাতিরঝিলের মহানগর প্রজেক্টে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আমরা চার বছর আমরা বসবাস করছি। এ সময় আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করত অপু। আমি রাজি না হলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করত। একপর্যায়ে অপু বাসা থেকে চলে বাড্ডা এলাকায় বসবাস করতে থাকে। গত ৬ মার্চ আমার বাসায় এসে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে আবারো ধর্ষণ করে। এরপর সে পালিয়ে যায়।’

একজন শিক্ষিকার অবস্থা দেখুন, আল্লাহর আইনে চার বছর ধরে স্বেচ্ছায় ব্যভিচার করে আসছে। এতদিন সে এতে কোনো সমস্যা দেখেনি। জানি না তার মা-বাবাও মেয়ের কুকর্মে সমস্যা দেখেছেন কি না। এখন যেই পালিয়ে গেছে, অমনি চার বছরের ‘স্বেচ্ছা উপভোগ’ পরিণত হয়েছে ‘ধর্ষণে’! ছেলের বিচার তো হতেই হবে, সঙ্গে কুলাঙ্গার শিক্ষিকা এতদিন লিভ টুগেদার ‘হালাল’ ভেবে এখন সেটাকে কেন ‘হারাম’ বলছে তারও বিচার দরকার।

আদালতেরও উচিত মেয়েটিকে প্রশ্ন করা এতদিন বিয়ে ছাড়া তোমরা থাকলে কেন? এতদিন তোমাদের আইন-আদালত বা সমাজ লাগেনি, আজ কেন?