ইসলাম টাইমস ডেস্ক: ইসলামি শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নিয়ে সংসদে বিষোদগার করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি। তিনি বলেন, আট বছর আগে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছিলাম তা বাস্তবায়ন হয়নি। কিন্তু তেতুল হুজুরের আবদারে পাঠ্যপুস্তকে কুসুমকুমারী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দিজেন্দ্রলাল রায় এদের সবাই নির্বাসিত হন।
তিনি বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা ভাল উদ্যোগ। কিন্তু আমরা বিষবৃক্ষ রোপণ করছি কিনা সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ভাষণের ওপর রাখা বক্তৃতায় এসব কথা বলেন রাশেদ খান মেনন।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতকে নির্বিয্য করা গেলেও রাজনৈতিকভাবে পরাজিত করা যায়নি। তারা মিসরের মুসরি অথবা তুরস্কের এরদোগানের মতো ফিরে আসতে চায়। আর সেই সময়টা জামায়াতকে সামাজিক কর্মকাণ্ড, যেমন- স্কুল, কলেজ, পাঠাগার প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্য সেবা দেয়া এ ধরনের কাজে লিপ্ত রাখতে চায়। ইতিমধ্যে তার জায়গা নিতে চাচ্ছে ‘মোল্লাতন্ত্র’ যার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হেফাজত।
মেনন বলেন, মনে হয় আমরা পাকিস্তানের খাজা শাহাবুদ্দিনের যুগে ফিরে যাচ্ছি। তিনি বলেন, পাকিস্তানের প্রথম যুগের মতো নজরুলের কবিতার মুসলমানি করিয়ে ‘মহাশ্মশান’-এর বদলে ‘গোরস্থান’ আবৃত্তি করতে হবে।
















